আসল সাধু আর ভন্ড সাধু চিনবেন কীভাবে! রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের কথা শুনলেই বুঝে যাবেন আসল সাধু কে?

0
167

সংগীতা চৌধুরী, বহরমপুরঃ- সাধু সন্ন্যাসীদের মাহাত্ম্যই আলাদা। সত্য, ত্রেতা, দ্বাপর যুগ হোক অথবা কলি সকল যুগেই সাধুসন্তদের সেবা করা মহৎ পূণ্য কর্ম রূপে বিবেচিত হয়। কিন্তু সাধু ব্যক্তিটি যেন সত্যিকারেরই সাধু হন, তবেই তাকে খাওয়ালে অথবা তাকে দান ধ্যান করলে আপনার পুণ্য হবে। কিন্তু চারিদিকে এত ভন্ড ছেয়ে গেছে, এই মুহূর্তে কে আসলে সাধু আর কে নকল সাধু চিনবেন কীভাবে?

এমন অনেক মানুষই আছেন যারা সংসারে থাকেন অথচ সংসারের কোনো কিছুর মধ্যে থাকেন না। সেই ধরনের মানুষদেরকে দেখে আমরা বৈরাগী বলি, বলি তার মধ্যে বৈরাগ্য জেগেছে। কিন্তু যথার্থ বৈরাগ্য কি সত্যিই এত সহজ? কীভাবে চিনবেন সত্যিকারের বৈরাগীকে? কীভাবে জানবেন কার মধ্যে যথার্থ বৈরাগ্য সৃষ্টি হয়েছে?

এই প্রসঙ্গে ঠাকুর রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব যা বলেছেন তা শুনুন। শ্রী রামকৃষ্ণ বলছেন,“ বৈরাগ্য তিন-চার প্রকার। সংসারের জ্বালায় জ্বলে গেরুয়াবসন পরেছে। সে বৈরাগ্য বেশিদিন থাকে না। হয়তো কর্ম নাই, গেরুয়া পরে কাশী চলে গেল। তিনমাস পরে ঘরে পত্র এল, ‘আমার একটি কর্ম হইয়াছে, কিছুদিন পরে বাড়ি যাইব, তোমরা ভাবিত হইও না।’ আবার সব আছে, কোন অভাব নাই, কিন্তু কিছু ভাল লাগে না। ভগবানের জন্য একলা একলা কাঁদে। সে বৈরাগ্য যথার্থ বৈরাগ্য।”

তাই যার যথার্থ বৈরাগ্য জেগেছে তাকে যদি আপনি সেবা করতে পারেন, তাকে যদি আপনি শ্রদ্ধা করতে পারেন, তবে নিশ্চিত সংসারে থেকেই আপনার ভগবান দর্শন হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here