আজ থেকে খুলছে মন্দির নগরী বিষ্ণুপুরের পর্যটন কেন্দ্রগুলি

0
470

সংবাদদাতা, বাঁকুড়াঃ- লকডাউন করোনা গোটা বিশ্বের সাধারণ মানুষের চাওয়া পাওয়া গুলোকে কেমন যেন বদলে দিয়েছে। নীল আকাশে উড়ে বেড়ানো স্বপ্ন গুলো এক নিমিষে ধ্বংস হয়ে গিয়েছে সৌজন্যে নোবেল করোনা ভাইরাস। আর এই ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধের জন্য দেশজুড়ে লকডাউন শুরু হয়েছিল যার ফলে প্রায় ৩ মাস বন্ধ ছিল জেলার পর্যটন কেন্দ্রগুলো।


অবশেষে আজ থেকে বাঁকুড়া জেলার পর্যটনের অন্যতম ডেস্টিনেশন মল্ল রাজাদের রাজধানী মন্দির নগরী বিষ্ণুপুর পর্যটন কেন্দ্র খুলে যাচ্ছে। খুশির হাওয়া পর্যটন ব্যবসায়ীর সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের মধ্যে। লকডাউনের কারণে দোকানপাট বন্ধ থাকায় বিষ্ণুপুর পর্যটন ব্যবসায়ীরা আর্থিক সংকটের মুখে পড়েছিলেন। কেননা কোন পর্যটকে সেই অর্থে বিষ্ণুপুরে আসতে পারেননি। মন্দির নগরী বিষ্ণুপুরে সারাবছর দেশ-বিদেশের পর্যটকরা ভিড় জমান। তবে লকডাউন এর কারণে শুনশান ছিল মন্দির নগরী বিষ্ণুপুর। মুখ থুবড়ে পড়েছিল পর্যটনের সঙ্গে যুক্ত ব্যবসা। বিষ্ণুপুরের আকাশ বাতাস সর্বদাই আনন্দ উল্লাসে মেতে থাকতো। কিন্তু প্রায় তিন মাস সবকিছুইতেই কেমন যেন ভাটা পড়েছিল। জীবনানন্দ দাশের সেই কবিতার লাইন ” ফুল ফুটুক না ফুটুক আজ বসন্ত” বিষ্ণুপুর পর্যটন ব্যবসায়ীদের কাছেও এই মুহূর্তে বসন্তের আনন্দের থেকে কোন অংশে কম নয়। কেননা এখান থেকেই সারা বছর তাদের রুটি রোজগার। এর পাশাপাশি খুশির হাওয়া পর্যটকদের মধ্যে। তারাও দীর্ঘদিন পর পর্যটন কেন্দ্রে আসতে পারবেন স্বাভাবিকভাবেই রাজ্য সরকারের এই উদ্যোগকে তারাও ধন্যবাদ জানিয়েছেন। এক দোকানদার বলেন, দীর্ঘদিন দোকান বন্ধ থাকায় দারুন আর্থিক সংকটের মুখে পড়তে হয়েছিল হিমশিম খেতে হচ্ছিল সংসার চালাতে। অবশেষে আজ থেকে পর্যটন কেন্দ্র খোলায় আমরা অত্যন্ত খুশি রাজ্য সরকারকে আমরা ধন্যবাদ জানাই।


রাজ্যের পঞ্চায়েত প্রতিমন্ত্রী মাননীয় শ্যামল সাঁতরা মহাশয় বলেন, বাঁকুড়া জেলার বিষ্ণুপুর পর্যটন কেন্দ্র উন্মুক্ত হচ্ছে পর্যটন কেন্দ্রের নির্দেশমতো। পর্যটকরা যাতে বিষ্ণুপুরে আসতে পারে তার জন্য বেশ কিছু হোটেল খোলা হবে। তবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সরকারি নির্দেশমতো সাধারণ মানুষকে মন্দিরে প্রবেশ করানো হবে। এ বিষয়ে বাঁকুড়ার জেলাশাসক বলেন, ট্যুরিজম পরিষেবা এখানে খুলে দেওয়া হয়েছে। তবে সব দিকে সতর্কতা অবলম্বন করার বিষয়ে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here