কোটশিলা থানা এলাকার একমাত্র ডেম মুরগুমা, টুরিস্ট স্পর্ট হবে

0
676

নিজস্ব সংবাদদাতা, পুরুলিয়াঃ-

পুরুলিয়া জেলার কোটশিলা থানা এলাকার একমাত্র ডেম মুরগুমা, আনুমানিক ১৯৬২-৬৪ সালে এই ডেম খনন কার্য করা হয়েছিল প্রায় ১২০০০ একর জায়গা জুড়ে কিন্তু ১৯৯২ সালে যে বন্যা হয়েছিল তাতে মুরগুমা ডেমের মধ্যে ধ্বস নেমেছিল ফলে ডেমের বিভিন্ন জায়গায় মাটির স্তূপ জমা হয়ে ছোট ছোট দ্বীপের আকার নিয়েছে স্বাভাবিক ভাবেই ডেমে জল ধারণ ক্ষমতা তুলনা মূলক ভাবে হারিয়েছে| এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায় খনন কার্য সম্পন্ন হওয়ার পর থেকে আর কোনো রকম ভাবে সংস্কার করে নি পরিবর্তনের সরকার |

বলা যেতেই পারে বর্তমান সরকার যদি এই ডেম পুনরায় খনন করে তাহলে অবস্যই টুরিস্ট স্পোর্ট গুলির মধ্যে অন্যতম টুরিস্ট স্পোর্ট হবে এটিও যদিও এখনো প্রায় নিত্য দিনেই পার্শবর্তী ঝাড়খন্ড রাজ্য ছাড়াও যেমন কলকাতা ,মেদিনীপুর ,খড়্গপুর ,
বর্ধমান ,টাটা, সারাইকেলা সহ বিভিন্ন জায়গা থেকেও পর্যটকরা এই ডেমে ঘুরতে বা পিকনিক করতে আসে থাকেন|

এছাড়াও এই ড্যামের পাড় দিয়েই অযোধ্যা পাহাড় ও যাওয়া যায়| বলা যেতেই পারে এই ড্যাম অযোধ্যা পাহাড় তোলে অবস্থান করে আরো বেশি করে সুন্দর লাগে এই ড্যামকে| এলাকার মানুষ চাইছেন সরকার সংস্কার করে যদি এই ড্যামের মধ্যে বোটিং চালু করেন তাহলে একদিকে যেমন এলাকায় অর্থনৈতিক উপার্জন বাড়বে উল্টোদিকে জেলার পর্যটন স্পোর্ট গুলির মধ্যেই অন্নতম টুরিস্ট স্পোর্ট হবে এখানে, তবে এই ড্যামের সামনেই প্রায় ৫ থেকে ৬ খানা প্রাইভেট রিসোর্ট ও গড়ে উঠেছে | অযোধ্যা পাহাড় বা মুরগুমা ড্যাম যদি পর্যটকরা বেড়াতে আসেন তাহলে এই রিসোর্ট গুলিতে রাত্রি যাপন করেন পর্যটকরা| অন্যদিকে সংস্কার হলে ড্যামের পার্শবর্তী এলাকার মানুষজন বছরে দুই বার ধান চাষ ও করতে সক্ষম হবেন বলে আশা বাদী , এছাড়াও গম, ভুট্টা ,বাজরা ,শাক সবজি উৎপাদন করতে পারবেন| আরো জানা যায় এই মুরগুমা ড্যামের জলকে ঝালদা শহর বাসি ও ড্যামের পার্শবর্তী এলাকার মানুষ পানীয় জল হিসেবে গ্রহন করেন|
বর্তমানে সরকারের গাফিলতিতে ড্যামের জল ধারণ ক্ষমতা অনেকটাই কমে গেছে , এমনকি চাষীরাও ভয়ে ভয়ে চাষ করছেন বিভিন্ন ফসল যদি জল শুকিয়ে যায় অন্তত এমনটাই ভেবে বা পি এইচ ই এই জল কেই পানীয় জল হিসেবে সাপ্লাই দিচ্ছেন টাইম কোলে ঝালদা শহর ছাড়াও পার্শবর্তী এলাকায়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here