নিষিদ্ধ টিকটকঃ ট্যালেন্ট প্রকাশ কি হবে বাঁকুড়াবাসীর?

0
354

সংবাদদাতা, বাঁকুড়াঃ- চলতি সপ্তাহেই আমাদের দেশে ‘নিষিদ্ধ’ হয়েছে জনপ্রিয় মোবাইল অ্যাপ ‘টিকটক’। মন -মেজাজ ভালো নেই টিকটকারদের। এবিষয়ে কি বলছেন বাঁকুড়ার টিকটকাররা? কিভাবে সময় কাটছে তাদের? সেবিষয় নিয়েই আমরা কথা বলেছিলাম টিকটকের সৌজন্যে কয়েকজন অতিপরিচিত মুখের সঙ্গে। বন্ধ টিকটক এই খবরে ‘মন খারাপ’ প্রত্যেকেরই, কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকারের এই সিদ্ধান্তকে মুক্ত মনে সমর্থন করেছেন এঁদের প্রত্যেকেই। এবিষয়ে কি বলছেন তারা আসুন শুনে নেওয়া যাক। অন্বেষা সাউ। বিষ্ণুপুর শহরের বাসিন্দা, স্কুল ছাত্রী। লক ডাউনে বন্ধ স্কুল। পড়াশুনোর মাঝেও অখণ্ড অবসর। আর সেই সময়টা মূলতঃ টিকটকের জন্য ভিডিও শ্যুট করেই কেটে যেত। সম্পূর্ণ বন্ধ টিকটক। বাড়িতে যত্রতত্র ছড়ানো শ্যুটিং সামগ্রী। এবিষয়ে তিনি প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে বলেন, নিজেদের প্রতিভা তুলে ধরার জন্য অন্যতম জনপ্রিয় মাধ্যম ছিল এই টিকটক। এখন আর সেই সুযোগ নেই।

একজন ভারতীয় হিসেবে চিনের তৈরী অ্যাপ বন্ধ করাকে সমর্থন জানিয়ে বলেন, এবার অন্তত আমাদের কথা ভেবে এই ধরণের কোন ভারতীয় অ্যাপ আনা হোক। নৃত্যশিল্পী কিনকিনি চ্যাটার্জী। ইনিও বিষ্ণুপুর শহরের বাসিন্দা। টিকটকে এক হাজার ফলোয়ার ছিল তাঁর। দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে সরকারী সিদ্ধান্তকে সম্পূর্ণ সমর্থণ জানিয়ে তিনি বলেন, প্রতিভা প্রকাশের খুব ভালো প্লাটফর্ম ছিল এই টিকটক। নিজের নৃত্যপ্রতিভা প্রকাশের খুব ভালো সুযোগ ছিল। এখন এই ধরণের দেশীয় কোন অ্যাপ আনা হোক বলে তিনিও দাবী জানান। বিউটিশিয়ান মণীষা ঘোষ চৌধুরী। বিষ্ণুপুর শহরের এই বিউটিশিয়ান নিজের কর্মজগতের পাশাপাশি টিকটকেও সমানভাবে জনপ্রিয় ছিলেন। তিনি বলেন, মন ভালো করা ও অনেক বেশী মানুষের কাছে পৌঁছে যাওয়ার বড় মাধ্যম ছিল টিকটক। একই সঙ্গে পেশাগত দিক থেকেও ভালো প্রচারের সুযোগ ছিল। সাময়িক খারাপ লাগা তৈরী হলেও দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে সরকারী এই সিদ্ধান্তকে পূর্ণ সমর্থণ জানাচ্ছেন বলে তিনিও জানান। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি ভারত সরকার ভিডিও শেয়ারিং সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং অ্যাপ টিক টকের পাশাপাশি ইউসি ব্রাউজার, ভাইরাস ক্লিনার, ক্লাব ফ্যাক্টরি, ফাইল শেয়ারিং অ্যাপ শেয়ারইটের মতো ৫৯ টি চিনা মোবাইল অ্যাপ নিষিদ্ধ করার পাশাপাশি গুগল প্লে স্টোর থেকে মুছে ফেলা হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here