বিধানসভা ভোটের আগেই নতুন করে দলকে সাজালেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা ব্যানার্জি। দেখুন পুরো রাজ্যের নতুন রদবদলের তালিকা

0
492

এই বাংলায় ওয়েব ডেস্কঃ- একুশে জুলাই তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা ব্যানার্জির দলীয় কর্মী-সমর্থকদের ভার্চুয়াল মিটিংয়ে বার্তা দেওয়ার পর আজ দলীয় বিভিন্ন জেলা নেতৃত্বের বড়সড় রদবদল করলেন। অভিযোগের ভিত্তিতে আর্থিক দুর্নীতিযুক্ত ছোট বড় মাঝারি নেতৃত্ব কে বাদ দেয়ার নির্দেশ দেন বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদ থেকে। আজ জেলার দায়িত্বে বেশকিছু ক্ষেত্রে ৫০ বছর বয়সের নিচে উদ্যমী নতুন মুখ এনেছেন তিনি। প্রবীণদের পাশাপাশি নবীনদের হাতে তুলে দিলেন দায়িত্ব ভার । আজ ভিডিও কনফারেন্সে ডেকে সেই বদলের স্বরূপই ঘোষণা করে দিলেন তিনি। এতদিন জেলার উপর নজরদারি করতেন জেলার অবজার্ভররা এবার সেই পদের বিলুপ্তি ঘটালেন তিনি। দলকে চাঙ্গা করতে কয়েকটি জেলায় রদবদল করলেন জেলা সভাপতি। অভিষেক বানার্জীকে প্রধান করেই ঢেলে সাজালেন তৃণমূল যুব কে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অপসারিত জেলা সভাপতিদের বসানো হয়েছে জেলা কমিটির চেয়ারম্যান পদে। তৃণমূলের অনেকেই অবশ্য বলছেন, জেলা কমিটির চেয়ারম্যান পদটি আলঙ্কারিক, সভাপতির হাতেই আসল ক্ষমতা। তৃণমূলের পরামর্শদাতা তথা ভোট কৌশলী প্রশান্ত কিশোরের (পিকে) পরামর্শের ছাপ এই রদবদলে স্পষ্ট বলে মনে করছেন তৃণমূলেরই অনেকে। উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ঘটিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তার মধ্যে রয়েছে উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলাই। দক্ষিণবঙ্গে পরিবর্তনের সংখ্যা আরও বেশি। তৃণমূলের যে রাজ্য কমিটি এ দিন ঘোষণা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তাতে সাধারণ সম্পাদক পদে ফিরহাদ হাকিম, শুভেন্দু অধিকারী, অরূপ বিশ্বাসদের মতো হেভিওয়েটদের রাখা হয়েছে। সম্পাদক হিসেবে কমিটির অন্তর্ভুক্ত হয়েছে ১১ জন। সাংগঠনিক কাজ দেখভালের জন্য এ দিন ২১ জনের একটি সমন্বয় কমিটি গড়েছেন ও ৭ জনকে নিয়ে আবার স্টিয়ারিং কমিটিও তৈরি হয়েছে।
১৯৯৮ সালে তৃণমূল কংগ্রেস গঠন হওয়ার পরে আজ ২০২১ শের নির্বাচনের সামনে দাঁড়িয়ে কেন রাজ্য কমিটি গঠন করতে হলো তা বুঝে উঠতে পারছেন না অনেক তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী। বিভিন্ন সভাতে কেউ কেউ কোনো বিরুদ্ধাচরণের কথা বললে ম্যাডাম যাদের ” মাওবাদী ” বলে আখ্যা দিতেন সেই ছত্রধর মাহাত তৃণমূলে যোগ দেওয়ায় এবং রাজ্য কমিটিতে প্রবেশ করায় রাজ্য বাসীর মনে মাওবাদী তৃণমূল যোগ এই ধারণা আরো বড়ো করে প্রমাণিত হল না কি? অভিষেক ব্যানার্জির দুটো গুরুত্বপূর্ণ পদ পাওয়া কংগ্রেসের গান্ধী পরিবারের মতো পারিবারিক ক্ষমতা হস্তান্তর রাজ্য বাসীর মনে নতুন করে ভাবনা চিন্তার উদ্রেগ করল না কি? দলে কি তবে পরিবার তন্ত্র বজায় রাখতে নতুন করে রাজ্য কোর কমিটি গঠন করা হল? এইমূহুর্তে সারা রাজ্যের শুভেন্দু অধিকারীর সাংগঠনিক ক্ষমতা এবং রাজ্য সভাপতি হিসেবে গ্রহণ যোগত্যা ৯৯% বলে মনে করেন সাধারন তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীর।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here