মধুচক্র ও দেহ ব্যবসা চালানোর প্রতিবাদ করায় ভোজালির কোপ একাধিক ব্যক্তিকে

0
272

সংবাদদাতা, পশ্চিম মেদিনীপুর:- এক ব্যাক্তি বাড়িতে চলছে মধুচক্রের আসর , গ্রামবাসীরা তার চরম বিরোধিতা করে। ডাকা হয় সালিশি সভা, অভিযুক্ত ব্যাক্তি অনুপস্থিতির কারণে গ্রাম কমিটির সম্পাদক অভিযুক্তর বাড়িতে যান, সেখানেই রক্তাক্ত কান্ড। বরাতজোরে প্রাণে বাঁচেন গ্রাম কমিটির সম্পাদক সহ বেশ কয়েকজন।

হাড় হিম করা ভয়ানক ঘটনা ঘটেছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার পিংলা থানার ১০ নং জলচক অঞ্চলের উত্তরবস্তি এলাকায়। স্থানীয় সুত্রে জানা গিয়েছে, উত্তরবস্তিতে জাহাঙ্গীর (ওরফে কালা) নামে এক ব্যাক্তি দীর্ঘদিন ধরে দুই স্ত্রী ও মেয়েকে নিয়ে বাড়িতে মধুচক্রের আসর চালাচ্ছিল। গ্রামবাসীরা একজোট হয়ে এর বিরোধিতা করে। পরিবেশ নোংরা হচ্ছে দাবি তুলে জাহাঙ্গীরকে এই অবৈধ কারবার থেকে সরে আসার অনুরোধ জানান স্থানীয়রা। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, অভিযুক্তর বিরুদ্ধে বহু বার পিংলা থানায় অভিযোগও জানানো হয়। কিন্তু, জাহাঙ্গীর ওরফে কালা কারও কোনও কথাকে পাত্তা না দিয়েই বেমালুম চালিয়ে যাচ্ছিল দেহ ব্যবসার আসর।

এরপরই গ্রাম কমিটি জাহাঙ্গীরকে নিয়ে সালিশি সভায় বসানোর সিদ্ধান্ত নেয়। শনিবার রাতে গ্রাম কমিটির সালিশি সভা বাসার কথাছিল, কিনতু জাহাঙ্গীর অনুপস্থিতি থাকার কারণে, তাকে সভায় আসার জন্য ডাকতে যান গ্রাম কমিটির সম্পাদক মফিজুল সহ বেশ কয়েকজন। শুরু হয় বাকবিতণ্ডা,তার মাঝেই হঠাৎই ভোজালি দিয়ে মফিজুল এর পেটে কোপ মারে জাহাঙ্গীর। এরপর তাকে বাধা দিতে গিয়ে ভোজালির কোপে আহত হয় তায়জুল সহ বেশ কয়েকজন। কারও হাত, কারও আঙ্গুলে, কব্জিতে চোট লেগে রক্ত ফিনকি দিয়ে বেরোতে থাকে। শীতের পোশাক পরে থাকায় বরাতজোরে প্রাণে বাঁচেন গ্রাম কমিটির সম্পাদক মফিজুল। ভোজালির কোপে গুরুতর আহত ব্যাক্তিদের জলচক প্রাথমিক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন পিংলা থানার পুলিশ। ঘটনার রাতেই এলাকা থেকে গাঢাকা দেয় অভিযুক্ত। পুলিশ অভিযুক্ত জাহাঙ্গীরের খোঁজে এলাকায় তল্লাশি শুরু করেছে। গ্রামবাসীরা প্রশাসনের নিকট জাহাঙ্গীরের কঠোরতম শাস্তির দাবি তুলেছে। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here