করোনা ভাইরাসের থাবায় এবার শারদীয়া উৎসবের চেহারা টা ঠিক কি হতে চলেছে

0
511

সংবাদদাতা, বাঁকুড়া:- মারন ব্যাধি করোনা ভাইরাসের থাবায় বিশ্বের মানব সমাজ আজ প্রান সংশয়ে । আমাদের দেশ তথা রাজ্য একই সংকটের সন্মুখীন । এরমধ্যেই বৈশাখের উপস্থিতি আমাদের জানান দিচ্ছে পুজো আসছে । কিন্তু যেখানে মানুষের প্রান বাঁচানোই প্রধান কাজ হয়ে উঠেছে সেই অবস্থায় আমরা পুজো পাগলের দল স্বাদ আর সাধ্যের ফারাক টা অনুভব করছি সর্বত্র । ইতিমধ্যেই বহু জায়গা থেকে আলোচনায় উঠে আসছে এবার শারদীয়া উৎসবের চেহারা টা ঠিক কি হতে চলেছে বা আদৌ কি বিশ্বের অন্যতম সেরা উৎসব বাংলা তথা বাঁকুড়া জেলার দুর্গাপুজো আমরা করে উঠতে পারবো যথার্থ উৎসবের সাজে । আমরা বাঁকুড়া জেলার পুজো পাগলের দল কিন্তু মোটেই পিছিয়ে আসতে রাজী নই আমাদের প্রানাধিক প্রিয় শারদোৎসব উদযাপনের থেকে । আমরা বিশ্বাস করি অশুভ শক্তির বিনাশ ঘটাতে মা দুর্গা যেভাবে মহিষাসুর বধ করে শুভ শক্তির সূচনা করেছিলেন , আজ বিশ্বের সমগ্র মানব সমাজের আকূল প্রার্থনায় মা আবার অশুভ করোনাশুর কে বধ করে সুন্দর আনন্দ মুখর বিশ্ব উপহার দেবেন আমাদের ।

তবে এই পুজো উৎসবের সঙ্গে জড়িত রয়েছেন বহু ব্যবসায়ী সংগঠন যারা সারা বছর এই যেমন কাপড় ব্যবসায়ী প্যান্ডেল ব্যবসায়ী আলোকসজ্জা ব্যবসায়ীরা শারদ উৎসব এর দিকে তাকিয়ে থাকেন । কিন্তু এবছর বর্তমান কঠিন পরিস্থিতিতে তারা গভীর চিন্তায় রয়েছেন চিন্তায় রয়েছেন মৃৎ শিল্পীরা যারা পুজোর কটা দিনে ঠাকুর তৈরি করে দুটো বাড়তি পয়সা রোজগার করেন

বিষ্ণুপুরের এক বস্ত্র ব্যবসায়ী বলেন , এ বছর আমরা অত্যন্ত দুশ্চিন্তায় রয়েছি পুজো হবে কিনা । লকডাউনে এবার চৈত্র সেল হয়নি । তার ওপর হাতে টানাটানি শুরু হয়েছে শারদ উৎসব কতটা ভালোভাবে হবে তাই নিয়ে গভীর চিন্তায় রয়েছি ।

বিষ্ণুপুর শহরের তিন নম্বর ওয়ার্ডের দূর্গা পূজা কমিটির সেক্রেটারি দুর্জয় সাহা বলেন , বিশ্বজুড়ে মহামারী চলছে পুজো কি হবে তা এখনই বলতে পারছি না । তাছাড়া এ বছর আর্থিক সঙ্কট তৈরি হয়েছে এখন পুজোর কি হবে তাই ভেবে কুল পাচ্ছি না ।

সাধন দে নামে এক মৃৎশিল্পী বলেন , অন্যান্য বছর এমন সময় অর্ডার আসতে থাকে কিন্তু এবছর পুজো নিয়ে কারোর মধ্যে কোন চিন্তাভাবনা নেই । ঠাকুর তৈরি করেই সারা বছর আমাদের সংসার চলে এমতাবস্থায় আমরা গভীর চিন্তায় রয়েছি ।

প্যাণ্ডেলকে সাজিয়ে তুলতে আলোকসজ্জার একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে কিন্তু এবছর লাইট ব্যবসায়ীদের মাথায় হাত । অপূর্ব কর্মকার নামে এক লাইট ব্যবসায়ী বলেন , প্রতিবছর আমরা দুর্গাপুজোর দিকে তাকিয়ে থাকি দুটো বাড়তি পযসা রোজগারের আশায় কিন্তু এছর আর হবে না মনে হচ্ছে । ফলে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়তে হবে আমাদের।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here