বিবাহিত ছেলেকেই আবার বিয়ে, সব জেনেও নিজের স্বামীর সাথেই থাকতে চায় দ্বিতীয় পক্ষ

0
1116

সন্তোষ মণ্ডল, আসানসোলঃ- ঘটনাটি নিছক একটা ছেলে আর একটা মেয়ের ভালোবেসে বিয়ের পিঁড়িতে বসার-ই ঘটনা। আরা জেলার বাসিন্দা নিরজ সিং নামে একটি ছেলের সাথে প্রেম করে বিগত চার বছর আগে বিয়ের বাঁধনে বাঁধা পড়ে ঝাড়খণ্ডের সাহেবগঞ্জের মেয়ে রিমঝিম কুমারী। তবে পাত্র আগে থেকেই বিবাহিত ছিল নাকি অবিবাহিত – সেই নিয়ে সকলের মতো এখনও ধোঁয়াশাতেই খোদ পাত্রী রিমঝিম। তবে বর্তমান পরিস্থিতি- প্রমান বলছে ছেলেটা আগে একবার বিয়ে করেছিল অন্য একজনকে। যাই হোক, ছেলেটির সাথে মেয়েটির প্রথম দেখা স্টেশনে। তারপর প্রেম শুরু। তারপর রীতিমত বিয়ে করে আরা থেকে পাটনায় থাকতে শুরু করে দুজন। তার মধ্যেই রিমঝিম জন্ম দেয় একটি শিশু সন্তানের। মা-বাবার বিষয়ে ছেলেটিকে জিজ্ঞাসা করলে তা এড়িয়ে গেলেও মোটামুটি সব ঠিকই চলছিল। এরই মাঝে একদিন ট্রেনে যাবার পথে আসানসোল স্টেশনে হঠাৎ পরিচয় এক ভদ্র লোকের সাথে। আবার সে -ই ওদের দুজনের থাকার বন্দোবস্ত করে দেয় আসানসোলের এক বাড়িতে। প্রায় তিনদিন ধরে ভাড়ায় থাকছিল দম্পতি। রিমঝিম এর স্বামী আসানসোল রেলপার লাল বাংলায় টিউশান শিক্ষক। ভদ্রলোক বলেই ওদের থাকার জন্য বাড়ি দেওয়া হয়েছিল- এমনটাই বলছেন স্থানীয়রা। তবে তিন বছরের দাম্পত্য জীবনের গল্পে হঠাৎ-ই ছন্দপতন শুরু হয় ৯ মাস আগে থেকে। রিমঝিম- এর উপরে অত্যাচার ও মারধর করতে থাকে স্বামী নিরজ সিং। ঝগড়া-অশান্তি-ঝামেলার চোটে এখন বাস্তবটা পুরো বুঝতে পারছে রিমঝিম। তার কথায়, ১৭ বছর বয়সে বিয়ে করে পালিয়ে চলে আসার সিদ্ধান্ত নেওয়া-টা ভুলই হয়েছিল। এখন, প্রথম পক্ষের বউয়ের অভিযোগের ভিত্তিতে, স্থানীয়দের মতে নিরজকে আটক করে পুলিশ। কিন্তু, একজন স্ত্রী হিসাবে রিমঝিম এর বক্তব্য,’ আমি নিজের স্বামীর সাথেই থাকতে চাই’। তবে এখনও খবর, অভিযোগের ভিত্তিতে আসামীকে অন্যত্র নিতে যাচ্ছে ঝাড়খণ্ড পুলিশ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here