মহিলার মৃতদেহ ঝোলানো হল ফাঁসিকাঠে, মৃত্যুর পরও মিলল না রেয়াত

0
189

এই বাংলায় ওয়েব ডেস্কঃ- ফাঁসিতে ঝোলানোর আগেই মৃত্যু। তবুও মহিলার মৃতদেহ ঝোলানো হয় ফাঁসি কাঠে। অমানবিক এই ঘটনা ঘটেছে ইরানের রাজাই শাহর জেলে৷ আরব নিউজ-এ প্রকাশিত এই খবরে বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার কর্মীরা নিন্দায় সরব হয়েছেন। নৃশংস এই ঘটনার প্রতিবাদে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনেতাদেরও সরব হওয়ার দাবি তুলছেন তাঁরা।

জানা গিয়েছে মৃত ওই মহিলা দুই সন্তানের মা। নাম জাহরা ইসমাইলি৷ তাঁর বিরুদ্ধে নিজের স্বামীকে হত্যার অভিযোগ ছিল৷ জাহরার আইনজীবী ওমিদ মোরাদির অভিযোগ, ফাঁসির আগে আরও ১৬ জন সাজাপ্রাপ্তের পিছনে দাঁড় করানো হয়েছিল জাহরাকে ৷ সেখানে চোখের সামনে একের পর এক জনকে ফাঁসিতে ঝুলতে দেখে, লাইনে দাঁড়িয়েই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় জাহরার ৷ কিন্তু তারপরেও রেয়াত করা হয়নি তাকে৷ প্রসঙ্গত সে দেশের শরিয়ত আইন অনুযায়ী খুন হওয়া ব্যক্তির পরিবার সদস্যদের প্রতিশোধ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়৷ জাহরার আইনজীবীর অভিযোগ আইন অনুযায়ী পরিবারের সদস্যদের প্রতিশোধ নেওয়ার সুযোগ দিতেই এই অমানবিক ঘটনা ঘটানো হয়। জাহরার মৃত্যুর পর তার দেহ ফাঁসি কাঠে ঝোলানো হয় যাতে তার শাশুড়ি পা দিয়ে লাথি মেরে জাহরার পায়ের নীচ থেকে চেয়ারটি সরিয়ে দিতে পারেন৷ ডেথ সার্টিফিকেটে অবশ্য জাহরার মৃত্যুর কারণ হিসেবে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার কথাই উল্লেখ করা হয়েছে৷

অন্যদিকে জাহরার স্বামী যিনি পেশায় একজন গোয়েন্দা অফিসার ছিলেন তার বিরুদ্ধে স্ত্রী ও দুই মেয়ের উপর অত্যাচারের অভিযোগ ছিল। জাহরার আইনজীবীর দাবি অত্যাচারী স্বামীর হাত থেকে দুই মেয়েকে বাঁচানোর চেষ্টা করতে গিয়েই স্বামীকে খুন করতে বাধ্য হন জাহরা৷

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here