স্থানীয় যুবকদের কাজের দাবিতে এলোকুয়েন্ট স্টিল প্রাইভেট লিমিটেড কারখানা গেটের সামনে বিক্ষোভ

0
378

সন্তোষ মন্ডল, আসানসোলঃ- দেন্দুয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত দেন্দুয়া হাসপাতালের সামনে অবস্থিত শাকম্ভারি গ্রূপের এলোকুয়েন্ট স্টিল প্রাইভেট লিমিটেড কারখানা গেটের সামনে সোমবার কয়েক শত স্থানীয় যুবকরা মিলে বিক্ষোভ প্রদর্শন করলেন।কারখানার মুখ্য গেট বন্ধ করে বিক্ষোভ হওয়ার ফলে স্থানীয় যুবকরা ও কোনো শ্রমিক কারখানার ভিতরে যেতে পারে না। কারখানার ভিতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হয় না কারখানার কর্তৃপক্ষদেরও। খবর পেয়ে বিক্ষোভ স্থলে পৌঁছান সালানপুর থানার ইনচার্জ পবিত্র কুমার গাঙ্গুলি ও কল্যানেশ্বরী ফাঁড়ির ইনচার্জ অমরনাথ দাস।স্থানীয় যুবকদের অভিযোগ, এই কারখানায় বহিরাগত শ্রমিক ও ঠিকাদার এনে কাজ করানো হচ্ছে,কিন্তু স্থানীয় যুবকদের কাজ দেওয়া হচ্ছে না,তাছাড়া শতাধিক মহিলা শ্রমিক এই কারখানায় কর্মরত। তাদের জন্য নেই শৌচালয় ব্যাবস্থা ও। এবং তার ওপর লকডাউনের মহামারীতে কাজে থেকে বসিয়ে দেওয়া হয় কয়েকজন স্থানীয় শ্রমিকদের। তাদের মূল দাবি, স্থানীয় যুবকদের কাজ এবং স্থানীয় ঠিকাদার নিয়োগ করানো। এই কথা এলাকার বিধায়ক বিধান উপাধ্যায়কে জানান স্থানীয় যুবকরা, বিধায়কের কথায় সঙ্গে সঙ্গে কারখানার গেটের সামনে যান সালানপুর তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক ভোলা সিং। তিনি যুবকদের শান্ত করে, সব শুনে কারখানা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে কারখানা কর্তৃপক্ষকে জানান। ও বলেন বিধায়কের সঙ্গে কথা বলে অবিলম্বে তাদের দাবি মানতে। এই আশ্বাসেই বিক্ষোভ তুলে নেয় স্থানীয় যুবকরা। এই প্রসঙ্গে ভোলা সিং বলেন, স্থানীয় কিছু যুবক কাজের দাবিতে আজ বিক্ষোভ প্রদর্শন করে,তারা বিধায়কে সব জানায়, বিধায়কের নির্দেশে আমি এসে তাদের সঙ্গে কথা বলি, তারা জানিয়েছে যে বহিরাগত শ্রমিকদের নিয়ে কাজ করানো হচ্ছে,তাছাড়া ঠিকাদার ও বহিরাগত স্থানীয়রা কাজ পাচ্ছে না,তাছাড়া স্থানীয় কিছু শ্রমিককে কাজ থেকে বসানো হয়েছে এই সব অভিযোগ তারা আমার কাছে করেন, আমি এই সব তাদের সামনেই কারখানার ম্যানেজমেন্টকে জানিয়ে বলি অবিলম্বে বিধায়কের সাথে পরামর্শ করে তাদের সমস্ত দাবি মানতে হবে’।
এই প্রসঙ্গে শাকম্ভরী গ্রূপের হেড এইচ.আর মৃত্যুঞ্জয় চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘স্থানীয় কিছু যুবক কাজের দাবির জন্য আজ বিক্ষোভ দেখায় কারখানার গেটের সামনে,তাদের মূল দাবি কাজ এবং স্থানীয় ঠিকাদার নিয়োগ করতে হবে, এই বিষয়ে এলাকার বিধায়কের সঙ্গে কথা বলে একটা সিদ্ধান্ত করা হবে খুব তাড়াতাড়ি মধ্যে। কারখানার মধ্যে কিছু স্থানীয় যুবক কর্মরত রয়েছেন,নিশ্চিত রূপে আলোচনার মাধ্যমে তাদের কাজের দাবি মানা হবে’।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here