বিশ্ব পরিবেশ দিবসে দূষণের জেরে অস্তিত্ব সংকটে সুন্দরবনের বাঘমামারাও, দেখুন ভিডিও

0
1343

নিউজ ডেস্ক, এই বাংলায়ঃ ৫ জুন, বিশ্ব পরিবেশ দিবস। আর পরিবেশ দিবসের কথা উচ্চারিত হলেই আমাদের মনে যে বিষয়টি সর্বপ্রথম আসে তা হল বিশ্ব উষ্ণায়ন। প্রতিনিয়ত যে ভাবে বর্তমান সমাজ পরিবেশ দূষিত হয়ে পড়ছে তাতে একদিকে যেমন ক্রমশ দূষণের চরম সীমায় পৌছাচ্ছে পরিবেশ তেমনি সেই উষ্ণায়নের হাত থেকে রেহাই মিলছে না সমগ্র প্রানীজগতেরও। উদাহরণ হিসেবে বলা যেতে পারে সুন্দরবনের কথা। গত কয়েক বছরে প্রতিনিয়ত উষ্ণায়ন বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে একদিকে যেমন সুন্দরবনের প্রানীজগত সংকটের মুখে তেমনি সুন্দরবনের জলস্তর বৃদ্ধির ফলে বিলুপ্তির পথে ম্যানগ্রোভ অরন্যও। কারণ পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে একদিকে যেমন অরন্য ধ্বংস হয়েছে তেমনি সুন্দরবনের রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের অস্তিত্বও আজ সংকটের মুখে। যার অন্যতম কারণ পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে তেমনি অতিরিক্ত প্লাস্টিকের ব্যবহার জলজ প্রাণীদের অস্তিত্বও বিপন্ন। সুন্দরবনের রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের আকর্ষন বিশ্বজুড়ে। শুধু মাত্র এই হলদে ডোরাকাঁটা বিশালাকায় বাঘের দর্শন পেতেই সারাবছর হাজার হাজার দর্শনার্থী সুন্দরবনের ঘুরতে যান।

কিন্তু পরিবেশ দূষণ যা হারে বাড়ছে তাতে ভবিষ্যতে সুন্দরবনের ভবিতব্য নিয়ে চিন্তায় পরিবেশবিদরা। তবে একদিকে সুন্দরবনের পরিবেশ দূষণ বৃদ্ধি যতটা পরিবেশবিদদের আতঙ্কিত করে তুলছে তেমনি পরিবেশবিদদের আশা দেখাচ্ছে বাঁকুড়া জেলার বিষ্ণুপুরের এসডিও মানস মণ্ডলের দৃষ্টান্তমূলক উদ্যোগ। ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষ্যে অভিনব উদ্যোগ নিলেন তিনি। পরিবেশকে বাঁচাতে প্লাস্টিক বোতল, পলিব্যাগ না ফেলে কিভাবে কাজে লাগানো যায় সেটাই করে দেখালেন বিষ্ণুপুর এসডিও মানস মন্ডল মহাশয়। প্লাস্টিকের প্যাকেট এখানে ওখানে না ফেলে বোতলের মধ্যেই ছোট ছোট টুকরো করে ভরে ফেলুন। এরপর ভালো করে বোতলের মুখ বন্ধ করে এসডিও অফিসে জমা দিন নাম, ঠিকানা বোতলে লেবেলিং করে। যেই ভাবা সেই কাজ, বুধবার এলাকাবাসীরা মহকুমা শাসকের এই উদ্যোগের কথা জানতেই বাড়িতে থাকা প্লাস্টিক বোতলের মধ্যে সমস্ত প্লাস্টিক টুকরো করে কেটে বোতলে ভর্তি করে মহকুমাশাসকের দফতরে পৌঁছান। একইভাবে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষ্যে পশ্চিমবঙ্গ বিজ্ঞান মঞ্চের উদ্যোগে পানাগড় গ্রাম প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হল বসে আঁকো প্রতিযোগিতা ও আলোচনা সভা। যেখানে বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অরুণ কিরণ চ্যাটার্জি, রাজ্য কমিটির সদস্য রামপ্রনয় গাঙ্গুলী সহ অন্যান্যরা। অনুষ্ঠানে ৬৩ জন পড়ুয়া বসে আঁকো প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে।